রাজধানীর মহাখালী এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। কীভাবে বাসটিতে আগুন লেগেছে বা এটি নাশকতা কি না সে ব্যাপারে যাত্রীরা কিছু বলতে পারেননি।
শনিবার রাত ৯টার দিকে গুলশান-মহাখালী লিংক রোডে খাজা টাওয়ারের সামনে বাসটিতে আগুন ধরে যায়। এ সময় কয়েকজন যাত্রী ভেতরে ছিলেন, যারা দ্রুত বাস থেকে নেমে যায়। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, এটি নাশকতা নাকি দুর্ঘটনা তা তারা নিশ্চিত হতে পারেননি।
সমকাল লিখেছে, ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সঙ্গে তারা যোগাযোগ করেছিলেন। সেখান থেকে জানানো হয়েছে, বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট রওনা দেয়। তবে তার আগেই স্থানীয় লোকজন আগুন নিভিয়ে ফেলে।
বাসের দুই যাত্রীকে উদ্ধৃত করে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম লিখেছে, বটতলার একটু আগে চলন্ত অবস্থায় বাসের পেছনের অংশে আগুন দেখতে পায় যাত্রীরা। পরে বাসটি কিছু দূর গিয়ে খাজা টাওয়ারের সামনে থামলে যাত্রীরা নেমে যান।
ঘটনার সময় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বিল্লাল হোসেন বলেন, “হঠাৎ করে বাসটিতে আগুন দেখতে পাই।”
বনানী থানার ওসি রাসেল সারোয়ার সমকালকে বলেন, “২০-২২ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি গুলশান থেকে মহাখালীর দিকে যাচ্ছিল। লিংক রোডের খাজা টাওয়ারের সামনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। চালক সুমনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, বাসের পেছনের অংশে আগুন লাগে। এরপরই তিনি বাস থামালে যাত্রীরা নেমে চলে যায়।”
জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘিরে ১০ নভেম্বর থেকে সপ্তাহখানেক রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যানবাহনে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে।
সবশেষ বুধবার রাত ১০টার দিকে রামপুড়ায় বিটিভি ভবনের সামনের সড়কে একটি বাসে আগুনের ঘটনা ঘটে। বাসটি পুড়ে গেলেও কেউ হতাহত হননি।
সেদিন রামপুরায় বাসে আগুন দেওয়ার প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর ধানমন্ডি ৫ নম্বর সড়কে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালের বাসার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের কথা জানায় পুলিশ।
একই দিন ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে ঢাকার পল্লবীতে, সেখানে একজন পুলিশ সদস্য আহত হন।
এ সম্পর্কিত আরও খবর:



