
ইউক্রেন যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন ভূমিকা, পর্ব-১
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতা সবার জানা। কিন্তু এই সংশ্লিষ্টতা কতটা গভীরে, তা সাধারণ মানুষের পক্ষে জানার সুযোগ মিলেছে এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে।
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতা সবার জানা। কিন্তু এই সংশ্লিষ্টতা কতটা গভীরে, তা সাধারণ মানুষের পক্ষে জানার সুযোগ মিলেছে এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে।
ইউক্রেন সংকট সমাধানে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠনের পরিকল্পনাকে উড়িয়ে দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।
পাঁচ ধাপ পিছিয়ে এ বছর ১৪৭টি দেশের মধ্যে ১৩৪তম অবস্থানে নেমে গেছে বাংলাদেশ।
যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলেও সংঘাতের মূল কারণ সমাধানের বিষয়ে জোর দিয়েছেন পুতিন।
রোববার হামবুর্গ বিমানবন্দরে শ্রমিক ইউনিয়ন ভার্দির নেতৃত্বে শুরু হওয়া আন্দোলনটি জাতীয় ধর্মঘটে পরিণত হয়। ধর্মঘটে জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট, মিউনিখ, বার্লিনসহ সব বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামা বন্ধ রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদল যেমন পূর্ব ইউরোপে অবস্থান নিতে পারত না, তেমনি সোভিয়েত ট্যাঙ্কগুলোও প্রুশিয়ান ময়দানে প্রবেশ করতে পারত না যুক্তরাষ্ট্রের কারণে।
আলোচনা-সমালোচনার বাইরে দাঁড়িয়েও কেউ কেউ প্রশ্ন ছুড়েছেন, ট্রাম্প সত্যিই কেন এমন আচরণ করেছেন, যেখানে আরও সহজে তিনি জেলেনস্কিকে চাইলে শায়েস্তা করতে পারতেন।
ইউরোপের বেশিরভাগ নেতা আকারে ইঙ্গিতে জেলেনস্কির পাশে থাকার ঘোষণা দিলেও শুরু থেকেই রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী নিয়েছেন ট্রাম্পের পক্ষ।
ওই বাগযুদ্ধ নিয়ে একজন সাংবাদিকের মন্তব্য ছিল এরকম: “হোয়াইট হাউজে এমন দৃশ্য কল্পনাতীত।”
ট্রাম্পের দাবি পূরণ করতে খনিজ সম্পদ ভাগাভাগির জন্য যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতা সবার জানা। কিন্তু এই সংশ্লিষ্টতা কতটা গভীরে, তা সাধারণ মানুষের পক্ষে জানার সুযোগ মিলেছে এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে।
ইউক্রেন সংকট সমাধানে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠনের পরিকল্পনাকে উড়িয়ে দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।
পাঁচ ধাপ পিছিয়ে এ বছর ১৪৭টি দেশের মধ্যে ১৩৪তম অবস্থানে নেমে গেছে বাংলাদেশ।
যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলেও সংঘাতের মূল কারণ সমাধানের বিষয়ে জোর দিয়েছেন পুতিন।
রোববার হামবুর্গ বিমানবন্দরে শ্রমিক ইউনিয়ন ভার্দির নেতৃত্বে শুরু হওয়া আন্দোলনটি জাতীয় ধর্মঘটে পরিণত হয়। ধর্মঘটে জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট, মিউনিখ, বার্লিনসহ সব বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামা বন্ধ রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদল যেমন পূর্ব ইউরোপে অবস্থান নিতে পারত না, তেমনি সোভিয়েত ট্যাঙ্কগুলোও প্রুশিয়ান ময়দানে প্রবেশ করতে পারত না যুক্তরাষ্ট্রের কারণে।
আলোচনা-সমালোচনার বাইরে দাঁড়িয়েও কেউ কেউ প্রশ্ন ছুড়েছেন, ট্রাম্প সত্যিই কেন এমন আচরণ করেছেন, যেখানে আরও সহজে তিনি জেলেনস্কিকে চাইলে শায়েস্তা করতে পারতেন।
ইউরোপের বেশিরভাগ নেতা আকারে ইঙ্গিতে জেলেনস্কির পাশে থাকার ঘোষণা দিলেও শুরু থেকেই রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী নিয়েছেন ট্রাম্পের পক্ষ।
ওই বাগযুদ্ধ নিয়ে একজন সাংবাদিকের মন্তব্য ছিল এরকম: “হোয়াইট হাউজে এমন দৃশ্য কল্পনাতীত।”
ট্রাম্পের দাবি পূরণ করতে খনিজ সম্পদ ভাগাভাগির জন্য যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।