পুরুষদের কেউ দাড়ি ছাঁটেন, কেউ কামান আবার কেউ লম্বা দাড়িতেই অভ্যস্থ। কিন্তু যারা দাড়ি কামান তাদের কিছুদিন অন্তর অন্তরই কামানোও চাই।
আর এ দাড়ি কামাতে গিয়েই অনেকে পড়েন বিপত্তিতে। অনেক সময়ই দাড়ি কামানোর সময় ত্বকে জ্বলুনি ধরতে পারে, র্যাশ ওঠার সমস্যায়ও ভোগেন অনেকেই। এ বিষয়টা কিন্তু এমনি এমনি হয় না; বা দাড়ি কাটার ভুলের জন্যেও হয় না। এর পেছনেও রয়েছে বিশেষ কিছু কারণ। আসুন জেনে নিই কী সেসব কারণ যার কারণে এমনা ঘটছে?
১. ভোঁতা ব্লেড: দাড়ি কামানোর সময় ভোঁতা ব্লেড ব্যবহার করলে দাড়ি ঠিকমতো কাটে না এবং ত্বকে টান লাগে। যার ফলে জ্বালা করে এবং গোটা ওঠে।
২. শুষ্ক ত্বক: শুষ্ক ত্বকে দাড়ি কামালে ব্লেড ভালভাবে চলতে পারে না এবং ত্বকে ঘষা লাগে এবং জ্বালা করে।
৩. ভুল পদ্ধতি: দাড়ি কামানোর সময় যদি ভুল পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, যেমন দাড়ির বিপরীত দিকে কামানো বা বেশি চাপ দেওয়া তাহলে ত্বকে জ্বালা করতে পারে।
৪. সংবেদনশীল ত্বক: কিছু মানুষেরর ত্বক খুব স্পর্শকাতর হয়, যার কারণে দাড়ি কামানোর পরে সহজেই জ্বালা করে এবং গোটা ওঠে।
৫. ত্বকের সংক্রমণ: যদি দাড়ি কামানোর সময় ত্বক কেটে যায় এবং সেখানে ব্যাকটেরিয়া বা অন্য কোনও জীবাণুর সংক্রমণ হয় তাহলে গোটা উঠতে পারে।
র্যাশ-গোটা ওঠা এবং দাড়ি কামানোর সময় জ্বালা করা কমাতে যে পদক্ষেপ নিতে পারেন-
১. ধারালো ব্লেড ব্যবহার: সবসময় ধারালো ব্লেড ব্যবহার করুন এবং নিয়মিত ব্লেড পরিবর্তন করুন।
২. ত্বককে প্রস্তুত করুন: দাড়ি কামানোর আগে ত্বককে ভালভাবে পরিষ্কার করুন এবং গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এতে দাড়ি নরম হবে এবং কামানো সহজ হবে।
৩. শেভিং ক্রিম বা জেল ব্যবহার করুন: দাড়ি কামানোর আগে ভালো মানের ক্রিম বা জেল ব্যবহার করুন। এটি ত্বককে পিচ্ছিল করবে এবং ঘর্ষণ কমাতে সাহায্য করবে।
৪. সঠিক দিকে কামান: দাড়ি যে দিকে বাড়ে সে দিকেই কামান।
৫. আলতো করে কামান: বেশি চাপ না দিয়ে আলতো করে দাড়ি কামান।
৬. ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন: দাড়ি কামানোর পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।
৭.ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন: দাড়ি কামানোর পরে ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করা খুব জরুরি। তাই ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
এরপরও যদি প্রায়ই দাড়ি কামানোর সময় জ্বালা করে এবং গোটা ওঠে তাহলে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।