লিবিয়ার সাবেক নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির দ্বিতীয় ছেলে সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফিকে দেশটির জিনতার শহরে গুলি করে হত্যার খবর এসেছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে।
পশ্চিম লিবিয়ার যে শহরে ৫৩ বছর বয়সী সাইফ গাদ্দাফিকে হত্যা করা হয়েছে সেই জিনতান শহরেই বিগত এক দশক ধরে তিনি বসবাস করছিলেন।
তার আইনজীবী খালেদ আল জাইদি ও উপদেষ্টা আবদুল্লাহ ওসমান মঙ্গলবার রাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে তুর্কিভিত্তিক আনাদৌলু এজেন্সি।
লিবিয়ার গণমাধ্যম জানিয়েছে, তাকে নিজ বাসভবনেই হত্যা করা হয়েছে এবং এতে অজ্ঞাত পরিচয়ের চারজন অংশ নিয়েছিলেন।
হামলার আগে ঘটনাস্থলে থাকা নজরদারি ক্যামেরাগুলো নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছিল।
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, লিবিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে।
এদিকে, ৪৪৪ কমব্যাট ব্রিগেড এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত এখনও অস্পষ্ট, এবং লিবিয়ার কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
এক রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানে ১৯৬৯ সালের সেপ্টেম্বরে লিবিয়ার ক্ষমতা দখল করেছিলেন ক্যাপ্টেন মুয়াম্মার গাদ্দাফি এবং আরো কিছু তরুণ সামরিক কর্মকর্তা। সেসময় রাজাকে উৎখাত করে দেশটিকে একটি প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন তারা।
পরবর্তী ৪২ বছরে এই গাদ্দাফি হয়ে উঠেছিলেন লিবিয়ার একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী।
২০১১ সালে গাদ্দাফির পতনের পর সাইফ গ্রেপ্তার হলেও পরে মুক্তি পেয়ে যান। তিনি দেশটির রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টাও করেছিলেন।
বলা হয়ে থাকে, দেশটির সাবেক একনায়ক গাদ্দাফির ছেলেদের মধ্যে সাইফ গাদ্দাফি ছিলেন সবচেয়ে পরিচিত ও ক্ষমতাধর।



