আকামা নিতে ২ মাস দিয়েছে লিবিয়া, যা করতে হবে বাংলাদেশিদের

আকামা সংক্রান্ত নির্দেশনা সংবলিত লিবিয়ার  শ্রম ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি।
আকামা সংক্রান্ত নির্দেশনা সংবলিত লিবিয়ার শ্রম ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি।

বিদেশি নাগরিকদের জন্য দুই মাসের মধ্যে আকামা (বৈধতা) অর্জনের সময়সীমা ঘোষণা করেছে লিবিয়া সরকার। এই প্রক্রিয়ার আওতায় ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত লিবিয়ার অফিসিয়াল বন্দর (পোর্ট) দিয়ে দেশটিতে প্রবেশ করা সব বিদেশি শ্রমিককে তাদের আকামা অর্জন করতে হবে।

লিবিয়ার শ্রম ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক গত ১২ ফেব্রুয়ারি দেওয়া এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তির আলোকে লিবিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা দিয়েছে লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস।

দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আকামা অর্জনের জন্য কয়েকটি ধাপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলো হলো– ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধন, কর্মচুক্তি সম্পাদন ও স্বাস্থ্য সনদ সংগ্রহ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রথম ধাপে সকল বিদেশি শ্রমিককে অবশ্যই লিবিয়ার শ্রম মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের (https://wafed.gov.ly/) মাধ্যমে অনলাইনে নিবন্ধন করতে হবে। এরপর দ্বিতীয় ধাপে বিদেশি শ্রমিকদের লিবিয়ার স্থানীয় নিয়োগকর্তার সঙ্গে একটি বৈধ কর্মচুক্তি সম্পাদন করতে হবে। এই চুক্তি ২০১০ সালের ১২ নম্বর শ্রম আইন এবং এর ধারা অনুযায়ী হতে হবে। চুক্তিটি লিবিয়ার শ্রম অধিদপ্তর অথবা স্থানীয় মিউনিসিপালিটির শ্রম অফিস থেকে অনুমোদিত হতে হবে।

প্রথম দুটি ধাপ সম্পন্ন হওয়ার পর শ্রমিকদের লিবিয়ার জাতীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে একটি স্বাস্থ্য সনদ সংগ্রহ করতে হবে। এই সনদ নিশ্চিত করবে যে শ্রমিক সকল রোগ থেকে মুক্ত।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে লিবিয়ায় অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের জন্য আকাম অর্জনের এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে যারা আকামা অর্জনে ব্যর্থ হবেন, তাদের বিরুদ্ধে লিবিয়ার প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে লিবিয়ায় বসবাসরত সব বাংলাদেশি নাগরিককে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বর্ণিত ধাপগুলো অনুসরণ করে আকামা নেওয়ার জন্য দূতাবাস থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যথায় ভবিষ্যতে যত্রতত্র আটকসহ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

এ বিষয়ে যে কোনো তথ্য ব্যাখ্যা বা সহায়তার প্রয়োজনে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে ফোনে (+২১৮৯১৬৯৯৪২০৭ ও +২১৮৯১৬৯৯৪২০২) ও ইমেইলেও ([email protected]) দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে।

আরও পড়ুন