গণভোটের ফলাফলে আবারও ঘষামাজা, এক লাফে কমে গেল ১১ লাখ ভোট

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।

ভোটের পর কয়েকদফা ঘষামাজার পর ফলাফল প্রকাশের ১৩ দিন পর আবারও গণভোটের ফলাফল সংশোধন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংশোধিত ফলাফলে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের সংখ্যা কমেছে; বেড়েছে বাতিল হওয়া ভোটের সংখ্যা।

গণভোটের ফলাফলের সংশোধিত গেজেটে ২৫ ফেব্রুয়ারি সই করেছেন ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।

নতুন করে প্রকাশিত ভোটের ফলাফলে আগে প্রকাশিত ফলাফলের চেয়ে মোট প্রদত্ত ভোট ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬ কম দেখানো হয়েছে।

জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট হয়। পরদিন ১৩ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে বেসরকারিভাবে গণভোটেরও ফলাফল ঘোষণা করেছিলেন ইসি সচিব।

একই দিন রাতে ফলাফলের গেজেট জারি করা হলেও ১৩ ফেব্রুয়ারি ইসি সচিব গণভোটে হ্যাঁ ও না ভোট পড়ার যে সংখ্যা উল্লেখ করেছিলেন, তাতে বড় রকমের গড়মিল ধরা পড়ে।

নির্বাচন কমিশন প্রকাশিত ফলাফলে সেসময় এমনও আসনের হদিস মেলে যেখানে ভোট পড়ার হার দেখানো হয় ২৪৪ শতাংশ পর্যন্ত

সেসময় মোট ভোটার দেখানো হয়েছিল ১২ কোটি ৭৭ লাখ ২ হাজার ৩৩৪ জন, যাদের মধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোট ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন এবং ‘না’তে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ ভোট পড়ে বলে জানানো হয়।

ওই সময় বাতিল ভোটের পরিমাণ ছিল ৭৪ লাখ ২ হাজার ২৮৫টি ভোট।

পরে অবশ্য এনিয়ে সমালোচনা শুরু হলে সংশোধন করে বলা হয়, গণভোটে মোট ভোট পড়ে ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩টি। ভোট বাতিল হয় ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭টি। মোট বৈধ ভোট ৭ কোটি ২ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৬টি। ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যা ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০। ‘না’ ভোটের সংখ্যা ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬।

বুধবার জারি করা সংশোধিত ফলাফলের গেজেটে বলা হয়েছে, গণভোটে মোট ভোট পড়েছে ৭ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭টি। বাতিল ভোটের সংখ্যা ৭৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯৬। মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ৬ কোটি ৯১ লাখ ৮৬ হাজার ২১১। ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যা ৪ কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার ৯৮০। ‘না’ ভোটের সংখ্যা ২ কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার ২৩১।

এ সম্পর্কিত আরও খবর:

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ads