ঘুমধুমে কেন স্থলবন্দর দরকার, যা বললেন উপদেষ্টা সাখাওয়াত

শনিবার সীমান্ত সড়ক ও স্থল বন্দরের সম্ভাব্য জায়গা পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার সীমান্ত সড়ক ও স্থল বন্দরের সম্ভাব্য জায়গা পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুমে একটি স্থলবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে শনিবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।

ঘুমধুমে সীমান্ত সড়ক ও স্থল বন্দরের সম্ভাব্য জায়গা পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের তিনি এই পরিকল্পনার কথা জানান।

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে থাকা তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ১৬টি চলমান স্থলবন্দর রয়েছে। উন্নয়নের আওতায় রয়েছে আরও ৮টি। আর প্রস্তাবিত স্থলবন্দরের সংখ্যা দুটি।

১৬টি চলমান স্থলবন্দরের মধ্যে ১১টি বন্দরের কার্যক্রম চলছে নিজ ব্যবস্থাপনায়। এগুলো হলো– বেনাপোল, বুড়িমারী, ভোমরা, তামাবিল, সোনাহাট, নাকুগাঁও, আখাউড়া, বিলোনিয়া, গোবরাকুড়া-কড়ইতলী, শেওলা ও ধানুয়া কামালপুর স্থলবন্দর। বিল্ড, অপারেট ও ট্রান্সফার (বিওটি) ব্যবস্থাপনায় চলমান রয়েছে ৫টি স্থলবন্দর– সোনা মসজিদ, হিলি, বাংলাবান্ধা, বিবির বাজার ও টেকনাফ।

উন্নয়নের আওতায় থাকা আটটি স্থলবন্দর হচ্ছে– রামগড়, বাল্লা, ভোলাগঞ্জ, বিরল, দর্শনা, দৌলতগঞ্জ, তেগামুখ ও চিলাহাটি। আর প্রস্তাবিত দুটি স্থলবন্দর হচ্ছে–  প্রাগপুর ও মুজিবনগর।

এগুলোর বাইরে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি র ঘুমঘুমে কেন স্থলবন্দরের প্রয়োজন দেখা দিল, সে বিষয়েও সাংবাদিকদের জানিয়েছেন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন।

প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, উপদেষ্টা সাখাওয়াত সাংবাদিকদের বলেন, “ভবিষ্যতে মিয়ানমারে যে-ই থাকুক না কেন, আমাদের সঙ্গে রাখাইন রাজ্যের একটা সম্পর্ক আগে ছিল, এখনো আছে এবং থাকবে। রোহিঙ্গারা যেহেতু ওই এলাকার। কাজেই ওটাও দেখব, ভবিষ্যতের জন্য একটা পরিকল্পনা করে রাখব, যাতে এখানে একটা স্থলবন্দর করা যায়।”

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সঙ্গে নৌপথের চেয়ে স্থলপথ বেশি সুবিধাজনক বলেও মনে করছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এই উপদেষ্টা। তিনি বলেন, “ঘুমধুমের এশিয়ান অঞ্চলের আন্তঃদেশীয় মহাসড়ক দুই দেশের যোগাযোগব্যবস্থার জন্য সহজ। টেকনাফে আমাদের একটা বন্দর আছে মিয়ানমারের সঙ্গে। একই সঙ্গে ঘুমধুমে স্থলবন্দর নির্মাণেরও সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। এটিই হবে আরাকান বা রাখাইনের সঙ্গে আমাদের সহজ স্থল যোগাযোগ।”

টেকনাফ বন্দকে নৌবন্দরে পরিণত করা হতে পারে– এমন ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, “টেকনাফ বন্দরকে আমরা স্থলবন্দর বলি, আসলে এটা স্থলবন্দর না। এটা হয়তো নৌবন্দরে পরিণত হবে। সেই সঙ্গে এটিকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের অধীন ন্যস্ত করা যেতে পারে।”

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ads