বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) থেকে ছাড়পত্র পেয়েও মালয়েশিয়া যেতে পারেননি প্রায় ত্রিশ হাজার কর্মী।
এ অবস্থায় বুধবার সকাল ৯টায় ঢাকার কারওয়ান বাজার এলাকায় অবস্থান কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন বঞ্চিতরা। তাদের অভিযোগ, সরকারের দায়িত্বশীল মহলের নিস্পৃহতার কারণে তারা বঞ্চিত হয়েছেন।
মালয়েশিয়া যেতে বঞ্চিতদের অবস্থান কর্মসূচিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ফেরত কর্মীরাও অংশ নেবেন বলে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৬৪২ কর্মীর ছাড়পত্র নিয়েছিল, যাদের মধ্যে ৪ লাখ ৭৬ হাজার ৬৭২ কর্মী মালয়েশিয়ায় গেছেন। বাকি প্রায় ৩০ হাজার যেতে পারেননি।
কর্মীদের মালয়েশিয়ায় যেতে সর্বশেষ সময় ছিল ৩১ মে। কঠিন এই সময়েও প্রবাসী শ্রমিকদের পাশে সরকার বা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তেমন কোনও কার্যকরী পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ শ্রমিদের।
মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুলও এই সংকট সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেননি বলে জানান প্রবাসী মাইন উদ্দিন।
তিনি বলেন, “এই অসহায় অবস্থার দ্রুত সমাধানের দাবিতে আমরা সাধারণ শ্রমিকরা ২২ জানুয়ারি সকাল ৯টায় কাওরান বাজারে একটি শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের দাবি, সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা এবং শ্রমিকদের জন্য স্বাভাবিক ও ন্যায্য পরিবেশ নিশ্চিত করা।”
বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশ থেকে কর্মী নিয়ে থাকে মালয়েশিয়া। অন্য সব দেশের সব এজেন্সিকে কর্মী পাঠানোর সুযোগ দেওয়া হলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু এজেন্সির এ ধরনের অনুমোদন রয়েছে।



