
রাশিয়ার বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে যাবেন জিনপিং
জিনপিংয়ের পাশাপাশি মস্কোর রেড স্কয়ারে আয়োজিত ওই কর্মসূচিতে ভিয়েতনামের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির সর্বোচ্চ নেতা তো লামও হাজির থাকবেন।

জিনপিংয়ের পাশাপাশি মস্কোর রেড স্কয়ারে আয়োজিত ওই কর্মসূচিতে ভিয়েতনামের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির সর্বোচ্চ নেতা তো লামও হাজির থাকবেন।

মঙ্গলবার রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একথা জানানো হয়।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধ থামাতে পারবেন কিনা তা দেখতে চান তিনি, তবে বেশ ভালো সম্ভাবনা রয়েছে বলেই তার ধারণা।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন।

যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলেও সংঘাতের মূল কারণ সমাধানের বিষয়ে জোর দিয়েছেন পুতিন।

ট্রাম্পের রাশিয়াপন্থী নীতির প্রভাব অন্যান্য দেশেও পড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের পররাষ্ট্রনীতিতে হঠাৎ পরিবর্তন এনে ট্রাম্প নতুন কূটনৈতিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আলোচনায় বসেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার কর্মকর্তারা, যা তিন বছরের মধ্যে এই প্রথম দেশ দুটির সরাসরি বৈঠক।

ফোনালাপে ইউক্রেন যুদ্ধের ইতি টানতে আলোচনা শুরুর বিষয়ে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।

২০২২ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রে কোনো প্রেসিডেন্ট এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের মধ্যে প্রথম টেলিফোন আলাপ।

অবশ্য চুক্তি করার ক্ষেত্রে ইউক্রেইনের ‘বৈধ কর্তৃপক্ষের’ সই থাকার বাধ্যবাধকতা সামনে এনেছেন তিনি।

জিনপিংয়ের পাশাপাশি মস্কোর রেড স্কয়ারে আয়োজিত ওই কর্মসূচিতে ভিয়েতনামের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির সর্বোচ্চ নেতা তো লামও হাজির থাকবেন।

মঙ্গলবার রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একথা জানানো হয়।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধ থামাতে পারবেন কিনা তা দেখতে চান তিনি, তবে বেশ ভালো সম্ভাবনা রয়েছে বলেই তার ধারণা।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন।

যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলেও সংঘাতের মূল কারণ সমাধানের বিষয়ে জোর দিয়েছেন পুতিন।

ট্রাম্পের রাশিয়াপন্থী নীতির প্রভাব অন্যান্য দেশেও পড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের পররাষ্ট্রনীতিতে হঠাৎ পরিবর্তন এনে ট্রাম্প নতুন কূটনৈতিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আলোচনায় বসেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার কর্মকর্তারা, যা তিন বছরের মধ্যে এই প্রথম দেশ দুটির সরাসরি বৈঠক।

ফোনালাপে ইউক্রেন যুদ্ধের ইতি টানতে আলোচনা শুরুর বিষয়ে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।

২০২২ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রে কোনো প্রেসিডেন্ট এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের মধ্যে প্রথম টেলিফোন আলাপ।

অবশ্য চুক্তি করার ক্ষেত্রে ইউক্রেইনের ‘বৈধ কর্তৃপক্ষের’ সই থাকার বাধ্যবাধকতা সামনে এনেছেন তিনি।
স্বত্ব © Thesun24.com ২০২৬