ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জালভোট পড়া নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)- কে উদ্ধৃত করে ভুল ও অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
সোমবার টিআই,বি যে পর্যবেক্ষণ প্রকাশ করে তাতে ‘নির্বাচনের দিন সংঘটিত অনিয়ম’ সাব টাইটেলে উল্লেখ করা হয়, গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত ৪০ শতাংশ আসনে অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে।
অনিয়মের ধরনের পাশাপাশি আসনভিত্তিক শতাংশ উল্লেখ করেছে সংস্থাটি। তাদের হিসেব অনুযায়ী, ভোটারদের হুমকি দিয়ে তাড়ানো বা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না দেওয়ার মতো অনিয়মের ঘটনা পাওয়া গেছে ৪৬ দশমিক ৪০ শতাংশ আসনে।
এ ছাড়া ভোটারদের জোর করে নির্দিষ্ট কেন্দ্রে ভোট দিতে বাধ্য করার মতো অনিয়ম হয়েছে ৩৫ দশমিক ৭০ শতাংশ আসনে।
জাল ভোটের মতো অনিয়ম ২১ দশমিক ৪০ শতাংশ আসনে, ভোট গ্রহণের আগেই ব্যালটে সিল মারা ১৪ দশমিক ৩০ শতাংশ আসনে, বুথ দখল ১৪ দশমিক ৩০ শতাংশ আসনে হয়েছে বলে ওই পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তবে প্রথম সারির বেশ কয়েকটি দৈনিক ছাড়াও সামাজিক মাধ্যমে জালভোট পড়ার হার ২১ দশমিক ৪০ শতাংশ হিসেবে প্রচার করতে দেখা গেছে।
এ অবস্থায় সংস্থাটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামাভিত্তিক পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত তথ্যকে ভুলভাবে প্রচার ও প্রকাশ করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে।
গণমাধ্যমে পাঠানো ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টিআই,বির মাঠপর্যায়ের গবেষণার জন্য দৈবচয়ন পদ্ধতিতে নমুনাভিত্তিকভাবে নির্বাচিত ৭০টি আসনের মধ্যে ২১ দশমিক ৪০ শতাংশ আসনে এক বা একাধিক জালভোট প্রদানের ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে।
“এ তথ্যকে পুরো নির্বাচনে ২১ দশমিক ৪০ শতাংশ জালভোট পড়েছে- এমনভাবে ব্যাখ্যা করা সম্পূর্ণ ভুল, ভিত্তিহীন ও অমূলক।”
এ সম্পর্কিত আরও খবর:



