
চীন কী রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্পের সখ্যতায় ভীত
ট্রাম্পের রাশিয়াপন্থী নীতির প্রভাব অন্যান্য দেশেও পড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের পররাষ্ট্রনীতিতে হঠাৎ পরিবর্তন এনে ট্রাম্প নতুন কূটনৈতিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন।

ট্রাম্পের রাশিয়াপন্থী নীতির প্রভাব অন্যান্য দেশেও পড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের পররাষ্ট্রনীতিতে হঠাৎ পরিবর্তন এনে ট্রাম্প নতুন কূটনৈতিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আলোচনায় বসেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার কর্মকর্তারা, যা তিন বছরের মধ্যে এই প্রথম দেশ দুটির সরাসরি বৈঠক।

ট্রাম্প প্রশাসনে ধনকুবের ইলন মাস্কের ভূমিকা নিয়ে শোরগোল সেই শুরু থেকে। তবে জানা যাচ্ছিল না সত্যি তিনি কোন পদে এবং কী কী সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।

বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের অর্থায়ন বাতিল করেছে ইলন মাস্কের দপ্তর, যার মধ্যে রয়েছে ভারতও।

ইউক্রেইনে যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্প তৎপর হলেও তাতে রাখেননি ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বা ইউরোপের শীর্ষনেতাদের, যা তাদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি ফেরত পাঠানো হয় ১০৪ ভারতীয়কে, যাদের সঙ্গে খারাপ ব্যাবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।

ট্রাম্পের সরাসরি কিছু না বলার অর্থও দাঁড়ায় যে বাংলাদেশ প্রশ্নে তিনি মোদীর ওপরই নির্ভর করবেন।

ফিলিস্তিনের গাজা অঞ্চলের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণ পৃথিবীর অন্যতম জটিল ভূ-রাজনৈতিক প্রশ্ন হতে পারে।

ট্রাম্প যখন নির্বাহী আদেশে সই করছিলেন, তখন তার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স প্যারিসে এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করছিলেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমে এসেছে, বৈঠকে বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে ট্রাম্পের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মোদী।

ট্রাম্পের রাশিয়াপন্থী নীতির প্রভাব অন্যান্য দেশেও পড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের পররাষ্ট্রনীতিতে হঠাৎ পরিবর্তন এনে ট্রাম্প নতুন কূটনৈতিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আলোচনায় বসেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার কর্মকর্তারা, যা তিন বছরের মধ্যে এই প্রথম দেশ দুটির সরাসরি বৈঠক।

ট্রাম্প প্রশাসনে ধনকুবের ইলন মাস্কের ভূমিকা নিয়ে শোরগোল সেই শুরু থেকে। তবে জানা যাচ্ছিল না সত্যি তিনি কোন পদে এবং কী কী সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।

বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের অর্থায়ন বাতিল করেছে ইলন মাস্কের দপ্তর, যার মধ্যে রয়েছে ভারতও।

ইউক্রেইনে যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্প তৎপর হলেও তাতে রাখেননি ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বা ইউরোপের শীর্ষনেতাদের, যা তাদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি ফেরত পাঠানো হয় ১০৪ ভারতীয়কে, যাদের সঙ্গে খারাপ ব্যাবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।

ট্রাম্পের সরাসরি কিছু না বলার অর্থও দাঁড়ায় যে বাংলাদেশ প্রশ্নে তিনি মোদীর ওপরই নির্ভর করবেন।

ফিলিস্তিনের গাজা অঞ্চলের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণ পৃথিবীর অন্যতম জটিল ভূ-রাজনৈতিক প্রশ্ন হতে পারে।

ট্রাম্প যখন নির্বাহী আদেশে সই করছিলেন, তখন তার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স প্যারিসে এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করছিলেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমে এসেছে, বৈঠকে বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে ট্রাম্পের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মোদী।
স্বত্ব © Thesun24.com ২০২৬