ঈদুল ফিতরে ভারতে মুক্তি পাচ্ছে ‘সিকান্দার’। ছবি নিয়ে এরইমধ্যে দর্শকের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে।
সালমান খান এই সিকান্দার ছবির শুটিং করেছেন মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে। সেসময় একের পর এক খুনের হুমকি পাচ্ছিলেন। তবে শুটিং থামাননি বলিউড স্টার।
মাথায় মৃত্যুর খাঁড়া নিয়ে এই ছবির শুটিং করেছেন সলমন খান। লরেন্স বিশ্নোইয়ের থেকে একের পর এক খুনের হুমকি পেলেও দেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে শুটিং করেছেন তিনি। কিন্তু প্রথমে পরিচালকের থেকে ছবির চিত্রনাট্য শুনেই চলে গিয়েছিলেন সলমন।
প্রথমে ছবির চিত্রনাট্য শুনেই নাকি চলে যান সালমান খান। না একে বারে না, পরে ফিরেও এসে বাকী চিত্রনাট্য না শুনে সালমান আচমকাই অন্য কথা বলেন।
পরিচালক এআর মুরুগাদোস নিজেই জানিয়েছেন এই ঘটনার কথা। চিত্রনাট্য শোনাতে সালমানের বাড়ি ‘গ্যালাক্সি’তে যান পরিচালক। ৩০ মিনিট চিত্রনাট্য শুনেই উঠে চলে যান সালমান খান।
পরে অবশ্য তিনি ফিরে আসেন। ভাইজান ফিরে এসে বলেন, “আমি কিন্তু দুপুর ২টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত কাজ করি। আপনি পারবেন তো?”
মহারাষ্ট্রের মধদ্বীপে অক্ষয় কুমার অভিনীত ‘হলিডে’ ছবির শুটিং করছিলেন এআর মুরুগাদোস। তখনই সালমানের সঙ্গে তার প্রথম দেখা হয়।
প্রথম সাক্ষাতেই ভাইজানের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন তিনি। ইতিবাচক উত্তর দিয়েছিলেন সালমান খান।
তার কয়েক বছর পরে একটি কোরিয়ান ছবির রিমেক নিয়ে মুরুগাদোসের সঙ্গে কথা বলতে যান সালমান। কিন্তু রাজি হননি পরিচালক। মুরুগাদোস স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, নিজের লেখা চিত্রনাট্য ছাড়া বলিতারকাদের সঙ্গে কাজ করবেন না।
করোনা মহামারীর সময়ে প্রযোজক সাজিদ নাদিওয়ালা দ্বারস্থ হন মুরুগাদোসের। এর ঠিক কয়েক মাস পরেই ‘সিকান্দার’-এর চিত্রনাট্য পড়ে শোনাতে সালমানের বাড়ি যান তিনি।
চিত্রনাট্য শুনে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ কিছুই বলেননি সালমান। শুধু প্রশ্ন করেছিলেন, পরিচালক টানা ১২ ঘণ্টা কাজ করতে পারবেন কি না? এই প্রশ্ন শুনেই পরিচালক বুঝেছিলেন, চিত্রনাট্য পছন্দ হয়েছে ভাইজানের।