র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে কেবল একটি দল, এগিয়ে দুটি। উইমেন’স এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে তাই কঠিন চ্যালেঞ্জ দেখছেন বাংলাদেশের প্রধান কোচ পিটার জেমস বাটলার। এই ধরনের চ্যালেঞ্জে জিততে র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতির পাশাপাশি নতুন খেলোয়াড়দের উপর বিনিয়োগে জোর দিচ্ছেন তিনি।
আপাতত ছুটিতে আছেন বাটলার। তবে মালয়েশিয়ার কুয়ালা লামপুরে বৃহস্পতিবার বাছাইয়ের ড্র হওয়ার পর প্রতিপক্ষ নিয়ে ভাবতেই হচ্ছে এই ইংলিশ কোচকে। ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মায়ানমার, বাহরাইন ও তুর্কমেনিস্তান।
এই গ্রুপে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে এগিয়ে মায়ানমার (৫৫)। এরপর বাহরাইন, ৯২তম। সাফ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের (১৩৩তম) চেয়ে পিছিয়ে আছে কেবল তুর্কমেনিস্তান (১৪১)।
বাছাইয়ে ৩৪টি দেশ আট গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। আট গ্রুপ সেরা খেলবে চূড়ান্ত পর্বে। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষায় আছে শিরোপাধারী চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান।
বাংলাদেশের বাছাই পর্ব হবে মায়ানমারে। ২০২৩ সালে আর্থিক কারণ দেখিয়ে অলিম্পিক বাছাই খেলতে প্রতিবেশী এই দেশেই মেয়েদের পাঠায়নি বাফুফে। এ নিয়ে দেশের ফুটবলের নিয়ন্তা সংস্থাটি তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছিল।
আগামী ২৩ জুন থেকে ৫ জুলাই হবে বাছাই পর্ব। চূড়ান্ত পর্ব হবে আগামী বছর ১ থেকে ২১ মার্চ, অস্ট্রেলিয়ায়। বাছাই সামনে রেখে ৫৫ জন নারী ফুটবলারকে নিয়ে আগামী ৬ এপ্রিল থেকে ক্যাম্প শুরুর কথা রয়েছে।
বাছাই নিয়ে ভাবনার কথা বলেছেন বাটলার।
“বাছাই চ্যালেঞ্জিং হবে, কিন্তু এটাই স্বাভাবিক। আমরা গ্রুপের দলগুলোর নিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ শুরু করব এবং সে অনুযায়ী পেশাদারিত্বের সাথে পরিকল্পনা সাজাব। রমজানের পর দেখতে হবে খেলোয়াড়দের ফিটনেসের অবস্থা কেমন আছে, ট্রেনিং শুরু করতে হবে এবং সফল হওয়ার জন্য পরিকল্পনা সাজানোটা জরুরি।”
“বড় কথা হচ্ছে, আমাদের এএফসির র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করতে হবে এবং সেটা করতে হলে এই গ্রুপটার (নতুন খেলোয়াড়দের) উপর বিনিয়োগ করতে হবে, তা না হলে আমরা উন্নতি করতে পারব না।”
আগামী মাসের এই ক্যাম্পের দিকে আগ্রহ নিয়ে তাকবেন সবাই। কোচের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে বিদ্রোহ করা ১৮ ফুটবলারের যে এই ক্যাম্প দিয়েই ফেরার কথা।