
‘বিচ্ছিন্ন উগ্র গোষ্ঠীর’ বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার ‘নসিহত’ ইউনূস সরকারের
“আমরা আপনাদের পাশে আছি। আপনারা যে সন্ত্রাস ও সহিংসতার শিকার হয়েছেন, তার জন্য আমরা গভীরভাবে দুঃখিত,” বলা হয় ওই বিবৃতিতে।

“আমরা আপনাদের পাশে আছি। আপনারা যে সন্ত্রাস ও সহিংসতার শিকার হয়েছেন, তার জন্য আমরা গভীরভাবে দুঃখিত,” বলা হয় ওই বিবৃতিতে।

সংগঠন দুটি মনে করে, এই হামলা শুধু গণমাধ্যমের ওপর নয়, বরং এটি সমাজ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের ওপর আক্রমণ।

এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন।

ওই যুবকের শরীর যখন আগুনে পুড়ছিল তখন হত্যাকারীদের উল্লাস করতে দেখেছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানিয়েছেন।

প্রকাশিত হয়নি তাদের শুক্রবারের কাগজ।

বাঙালি সংস্কৃতি চর্চার ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠনটি ‘সব আমলেই’ মৌলবাদীদের আক্রোশের কেন্দ্রে ছিল।

নিহত ইমদাদুল হক মিলন খুলনার বর্তমান সময় ডট কম নামে একটি পোর্টালের সাংবাদিক ছিলেন।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১১টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

শরীফ ওসমান বিন হাদির মৃত্যুর পর ক্যাম্পাসে ব্যাপক বিক্ষোভের মধ্যে হল সংসদের নেতারা হলের এই নতুন নামকরণ করেন।

ডেইলি স্টারে ভাংচুর ও হামলা চালানোর খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে তোপের মুখে পড়েন এই সিনিয়র সাংবাদিক।

“আমরা আপনাদের পাশে আছি। আপনারা যে সন্ত্রাস ও সহিংসতার শিকার হয়েছেন, তার জন্য আমরা গভীরভাবে দুঃখিত,” বলা হয় ওই বিবৃতিতে।

সংগঠন দুটি মনে করে, এই হামলা শুধু গণমাধ্যমের ওপর নয়, বরং এটি সমাজ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের ওপর আক্রমণ।

এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন।

ওই যুবকের শরীর যখন আগুনে পুড়ছিল তখন হত্যাকারীদের উল্লাস করতে দেখেছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানিয়েছেন।

প্রকাশিত হয়নি তাদের শুক্রবারের কাগজ।

বাঙালি সংস্কৃতি চর্চার ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠনটি ‘সব আমলেই’ মৌলবাদীদের আক্রোশের কেন্দ্রে ছিল।

নিহত ইমদাদুল হক মিলন খুলনার বর্তমান সময় ডট কম নামে একটি পোর্টালের সাংবাদিক ছিলেন।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১১টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

শরীফ ওসমান বিন হাদির মৃত্যুর পর ক্যাম্পাসে ব্যাপক বিক্ষোভের মধ্যে হল সংসদের নেতারা হলের এই নতুন নামকরণ করেন।

ডেইলি স্টারে ভাংচুর ও হামলা চালানোর খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে তোপের মুখে পড়েন এই সিনিয়র সাংবাদিক।
স্বত্ব © Thesun24.com ২০২৬