অনুমান করা যাচ্ছিল, তাই ঘটেছে। পদত্যাগ করে বিদায় নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তার বিদায়ের মধ্যদিয়ে রাষ্ট্র কাঠামোয় আওয়ামী লীগের শেষ চিহ্নটিও মুছে গেল।
২০২৪ সালে জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা হারানোর পর একে একে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ওই আমলে নিয়োগ পাওয়া সবাইকে বিদায় নিতে হয়। প্রধান বিচারপতিসহ সাংবিধানিক পদগুলোতে যারা ছিলেন, তারাও টিকতে পারেননি।
তবে এর ব্যতিক্রম ছিলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন। তিনি থেকে যান বঙ্গভবনে। তাকে অপসারণের দাবি তুলেছিল অভ্যুত্থানকারী বিভিন্ন পক্ষ। এই দাবিতে বঙ্গভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচিও চলে।
তবে এক সংকটের মধ্যে নতুন করে আরেকটি সাংবিধানিক সঙ্কটের জন্ম দিতে চায়নি বিএনপি। তাই রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল দলটি।
ফলে বঙ্গভবনে টিকে গেলেও মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে যে পদে পদে অপমানের শিকার হয়েছিলেন, তা পরে একটি সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন তিনি।
গত ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার পর অনেকটা হাঁফ ছাড়েন সাহাবুদ্দিন। তিনি চলে যাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন। তবে বিএনপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এনিয়ে কিছু বলেননি।
চিকিৎসার জন্য গত মে মাসে লন্ডন ঘুরে এসেছিলেন তিনি। তার দুই মাস পর গত কয়েকদিন ধরে হঠাৎ করেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।
বিএনপি নেতারা মুখে কিছু না বললেও জানা যাচ্ছিল, রাষ্ট্রপতি আর থাকছেন না। লন্ডনে থাকা অবস্থায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এক ফোনালাপের খবর পাওয়ার পরই তাকে সরানোর এই পদক্ষেপ বলে বিভিন্ন সংবাদপত্রে খবর আসে; যদিও সাহাবুদ্দিন এই খবরকে গুজব বলেই উড়িয়ে দেন।
কিন্তু সাহাবুদ্দিন যে বিদায় নিচ্ছেন, তা বোঝা যাচ্ছিল সরকারের তৎপরতায়। চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যাওয়া স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদকে সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।
তারপর শুক্রবার বিকালে তার মুখে দিয়েই জানানো হয়, রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন খানিক আগেই পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। এখন সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছেন।
শারীরিক অসুস্থতার জন্যই বিদায় নিয়েছেন বলে রাষ্ট্রপতির চিঠি উদ্ধৃত করে জানান স্পিকার হাফিজ। আর এর মধ্যদিয়ে মেয়াদের পৌনে দুই বছর আগেই সাহাবুদ্দিনের দায়িত্বের অবসান ঘটল।
পদত্যাগের কারণ
সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনে স্পিকার হাফিজ বলেন, বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব এবং শারীরিক ও মানসিক অক্ষমতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা তাঁর পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
৭৭ বছর বয়সী রাষ্ট্রপতির চিঠির কথা উদ্ধৃত করে একথা জানান ৭৪ বছর বয়সী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন, যিনি এখন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
রাষ্ট্রপতি কি পদত্যাগ করেছেন, নাকি তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে? এমন প্রশ্ন আছে অনেকের মনে। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা বিষয়টি তুলছিলেন। কিন্তু স্পিকার হাফিজ মোদ্দা কথাটি তুলে ধরে মাত্র দুটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েই উঠে যান।
এ নিয়ে কোনো ধোঁয়াশা নেই দাবি করে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি একজন মানুষ, তিনি অসুস্থ হতেই পারেন এবং তিনি রোগেরও নাম প্রকাশ করেছেন। লিখিতভাবে জানিয়েছেন, তিনি কী কী রোগে ভুগছেন এবং মাঝেমধ্যে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। এ জন্য ডাক্তারের সার্টিফিকেটের কোনো প্রয়োজন নেই। যিনি যেখানে নিজেই এটি দাবি করেছেন।

“আমরা আশা করি, এই পদত্যাগের ফলে সব ধোঁয়াশা পরিষ্কার হলো। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা কোনো ধরনের বিরূপ মনোভাব কিংবা কনফিউশন যাতে এসব ব্যাপারে না ঘটে …আগেও রাষ্ট্রপতিরা পদত্যাগ করেছেন বিভিন্ন কারণে।”
পদত্যাগের বিষয়ে রাষ্ট্রপতি কিংবা বঙ্গভবন থেকে কিছু বলা হয়নি। তবে তার পদত্যাগপত্রটির অনুলিপি সাংবাদিকরা হাতে পেয়েছে। সেখানে অসুস্থতার কথাই লেখা আছে।
নিজের স্বাক্ষরিত চিঠিতে সাহাবুদ্দিন লিখেছেন, “আমি গুরুতর অসুস্থ। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছি। আমার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। ইদানীং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় Autonomic Neuropathy নামক রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে আমি মাঝেমধ্যে ক্ষণিক অচেতন হয়ে যাই। রোগসমূহের প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমার দীর্ঘ মেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন।
“এমতাবস্থায়, সংবিধানের ৫০ (৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির পদ হতে পদত্যাগ করছি।”
নিজের ভূমিকার উল্লেখ
অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, দুদকের সাবেক কমিশনার সাহাবুদ্দিনের রাষ্ট্রপতি হওয়াটা চমকের মতোই ছিল। ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। মো. আবদুল হামিদ তার দুই মেয়াদ শেষ করার পর সাহাবুদ্দিন যে তার উত্তরসূরি হবেন, তা কেউ ভাবেনি।
তারপর ১৫ মাসের মধ্যে সব ্ওলট-পালট হয়ে যায়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে আসতে হয় তাকে; বলতে হয়, সরকারের পতন হয়েছে, সংসদ তিনি ভেঙে দিয়েছেন।
তারপর ৮ আগস্ট ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের তিনিই শপথ পড়িয়েছিলেন। গত ফেব্রুয়ািরর নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে এবং স্পিকার হিসাবে হাফিজ উদ্দিনকে শপথ পড়িয়েছিলেন সাহাবুদ্দিনই।
তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আমলে অপাঙক্তেয় করে রাখা হয়েছিল সাহাবুদ্দিনকে। রাষ্ট্রীয় কোনো অনুষ্ঠানেও তাকে সেভাবে ডাকা হতো না। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসস তার খবর পরিবেশনও প্রায় বন্ধ করে দিয়েছিল। রাষ্ট্রপতির ভাষায়, তাকে পাত্তাই দিতেন না প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস।

৫ আগস্ট পরবর্তী নিজের ভূমিকার কথা তুলে ধরে সাহাবু্দ্দিন লিখেছেন, “৫ আগস্ট ২০২৪ সনে ছাত্র–জনতার গণ–অভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন সরকারের পতনের পর দেশে শাসনতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক সংকটের সৃষ্টি হয়। সাংবিধানিক সংকট থেকে উত্তরণের অভিপ্রায়ে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে আমি রাষ্ট্রপতি হিসেবে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত কামনা করি। অতঃপর বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের পরামর্শক্রমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাজনৈতিক দলসমূহের সাথে পরামর্শক্রমে জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন আয়োজন করে।
“নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে বর্তমান সরকার গঠিত হয়ে সরকার পরিচালনা করছে। বর্তমানে সরকারি দল ও বিরোধী দল গণতান্ত্রিক চর্চার মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করছে। আমার সুদৃঢ় ও ইতিবাচক ভূমিকার কারণে দেশে কোনো সাংবিধানিক বিপর্যয় ঘটেনি।”
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে নিয়ে সমালোচনা থাকলেও বিএনপিও সাংবিধানিক সঙ্কট এড়াতে তাকে অপসাররে পথে হাঁটেনি।
বিএনপির অবস্থান বোঝা যায় সংবাদ সম্মেলনে হাফিজ উদ্দিনের কথায়। তিনি বলেন, “আমার মনে হয়, তিনি (রাষ্ট্রপতি) মাফিয়া সরকারের আমলে নির্বাচিত হলেও বর্তমানে জনগণের ভোটে যে সরকার নির্বাচিত হয়েছে, তার প্রতি তিনি সমর্থন এবং শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন সব সময়।”
গ্রেপ্তারের দাবি, হবে কী
জুলাই অভ্যুত্থানের নেতারা ২০২৪ সালেই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সাহাবুদ্দিনকে অপসারণের দাবি তুলেছিল। রাষ্ট্রপতি দল-মতের ঊর্ধ্বের ব্যক্তি হলেও তাদের চোখে সাহাবুদ্দিন হলেন ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’।
ইস্তফা দেওয়া মাত্রই সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে দলটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদের আত্মত্যাগের পূর্ণাঙ্গ বিচার নিশ্চিত করতে এবং স্বৈরাচারী ব্যবস্থা পুনরুত্থান রোধে তাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে স্বৈরাচারের একটা কালো ছায়া সরে গেল।
এনসিপিসহ আরো কয়েকটি দল সাহাবুদ্দিনের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করলেও জামায়াত এক্ষেত্রে সরাসরি কিছু বলেনি। শফিকুর রহমান তা এড়িয়ে যান।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির কিছু ক্ষেত্রে দায়মুক্তি রয়েছে। সংবিধানের ৫১(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তার কার্যকালে কোনো কাজের জন্য কোনো আদালতের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য নন। দায়িত্ব পালনকালে তাকে বিচারের মুখোমুখিও করা যায় না।
তবে দায়িত্বে না থাকলে ব্যক্তি হিসেবে কোনো কাজের জন্য তার বিচারের সুযোগ রয়েছে। এর আগে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের পর এইচ এম এরশাদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। দণ্ড নিয়ে কারাভোগও করতে হয়েছিল তাকে।
বিশ্লেষকেরা বলেন, সাহাবুদ্দিনের ক্ষেত্রে কী হবে, তা নির্ভর করছে বিএনপি সরকারের ওপর।
এদিকে সাহাবুদ্দিন যাতে দেশ ছাড়তে না পারেন, সেজন্য সজাগ দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানিয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

তিনি নেত্রকোনায় এক সমাবেশে বলেন, “আমরা বলেছিলাম, এই সরকার নির্বাচিত হওয়ার পরপরই উচিত ছিল এই ফ্যাসিস্টের দোসর দুর্নীতিবাজ রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগের সুযোগ না দিয়ে তাকে অপসারণ করে গ্রেপ্তার করার।
“আমরা এখনও বলছি, শারীরিক অসুস্থতার নামে বা কোনো ধরনের অজুহাতে এই ফ্যাসিস্টের দোসর রাষ্ট্রপতি চুপ্পু কোনো ধরনের সেফ এক্সিট বা বিদেশে যাতে পালাতে না পারে সেজন্য সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। এবং সরকারকে অনতিবিলম্বে এই ফ্যাসিস্টের রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তার করতে হবে।”
সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে সাহাবুদ্দিন অবসরভাতা, চিকিৎসার সুবিধাসহ কিছু সুযোগ-সুবিধা পাবেন। তিনি বঙ্গভবন ছেড়ে তার গুলশানের বাড়িতে উঠবেন বলে জানা গেছে।
পরবর্তী প্রক্রিয়া কী
সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করায় রাষ্ট্রপতির পদ এখন শূন্য। সংবিধান অনুসারে এই দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
সংবিধানের ১২৩ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদত্যাগের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে তা পূরণের জন্য নির্বাচন করতে হবে।
এখন তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নেবে নির্বাচন কমিশন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোর হন সংসদ সদস্যরা। এ লক্ষ্যে ভোটার তালিকা তৈরিসহ সার্বিক বিষয়ে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। সিইসি থাকেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ‘নির্বাচনী কর্তা’।
১৯৯১ সালের পর প্রতিটি ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন দলের একজন প্রার্থী থাকায় ভোটাভুটির প্রয়োজন পড়েনি। এবারও সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে ক্ষমতাসীন বিএনপির।
বিএনপি কাকে মনোনয়ন দেবে, তা নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে। তাতে কয়েকজনের নাম ঘুরেফিরে আসছে। তারা হলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, আব্দুল মঈন খান ও ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসন চৌধুরী।
অবসরে যাওয়া প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণির নামও রয়েছে আলোচনায়।



