বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পে মজুরি বৃদ্ধির দাবিকে কেন্দ্র করে নতুন করে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে ঢাকার আশাপাশের শিল্পাঞ্চলে।
বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধের মধ্যে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।
রোববার (১ নভেম্বর) পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে নড়েচড়ে বসে সরকার। বিভিন্ন স্থানে পুলিশের গাড়ি ও স্থাপনায় আগুন, কারখানায় ভাঙচুর এবং মহাসড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটে।
বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)-এর হিসাব অনুযায়ী, এক দিনের অস্থিরতায় দেশের পাঁচটি শিল্পাঞ্চলে ৫২৯টি কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয়। কর্মস্থল ছেড়ে বেরিয়ে যান প্রায় ৯ লাখ ৮৭ হাজার শ্রমিক।
সোমবার (২ নভেম্বর) পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের তৎপরতায় কিছু কারখানা খুললেও অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে ঢাকার আশেপাশের অঞ্চলে। এরইমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের কথা বলা হয়েছে।
এদিকে সচিবালয়ে পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কিছু শিল্পমালিক শ্রমিক অসন্তোষ উসকে দিচ্ছেন। তাদের মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীও রয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
কারখানা খুললেও উদ্বেগ কাটেনি
সোমবার সকালে শিল্পাঞ্চলগুলোতে উৎপাদন স্বাভাবিক করার উদ্যোগ দেখা গেছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববারের ঘটনার পর সোমবার অনেক পোশাক কারখানা ফের খুলেছে। তবে নতুন করে বিক্ষোভ বা সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকায় মালিকপক্ষ ও সরকার উদ্বিগ্ন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সচিবালয়ে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন এদিন।
পরে তিনি জানান, গাজীপুর ও কালিয়াকৈরের কিছু কারখানা আজ খুলেছে। তবে কয়েকটি কারখানা এখনো বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে কিছু কারখানা শ্রমিক আন্দোলনের কারণে নয়, বরং আর্থিক সংকট ও রপ্তানি আদেশ কমে যাওয়ার কারণে বন্ধ রয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ এবং পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠনের মধ্যে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পুলিশের সদর দপ্তরে নিয়ন্ত্রণকক্ষ স্থাপন এবং সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের কথাও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এদিকে সোমবার শ্রমিক সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গেও সরকারের বৈঠকের কথা রয়েছে। নতুন মজুরি বোর্ডের প্রথম বৈঠকও অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সাবেক এমপি-মন্ত্রী ও শিল্পমালিকদের ইন্ধন?
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সচিবালয়ে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু শিল্পমালিক এই অস্থিরতা তৈরিতে জড়িত। তাদের মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীও রয়েছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, এসব শিল্পমালিকের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে সরকারের কাছে তথ্য রয়েছে এবং তারা শ্রমিক অসন্তোষ উসকে দেওয়ার পেছনে কাজ করছেন বলে সরকার নিশ্চিত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার প্রথমে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করেছে। তবে এখন কেউ পরিকল্পিতভাবে সহিংসতা সৃষ্টি বা জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
এর আগে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীও অভিযোগ করেছিলেন, কয়েকটি রাজনৈতিক সংগঠন শ্রমিকদের ব্যবহার করে সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।
রোববার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জরুরি বৈঠকের পর শ্রমমন্ত্রী বিবিসি বাংলাকে বলেন, আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ডিসেম্বরকে সামনে রেখে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়েছেন বলে সরকার মনে করছে।
তবে সরকারের পক্ষ থেকে যেসব সাবেক এমপি, মন্ত্রী বা শিল্পমালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, তাদের নাম ও অভিযোগের পক্ষে বিস্তারিত প্রমাণ প্রকাশ্যে উপস্থাপন করা হয়নি।
এদিকে রোববার মিরপুরে আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) জানিয়েছে, ঢাকা মহানগর এলাকায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ১৯ জন নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন। অন্যদিকে ডেইলি স্টার মিরপুরে পুলিশের হাতে ৩০ জন আটক হওয়ার তথ্য জানিয়েছে।
শ্রমিকদের দাবি কী?
বর্তমানে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে আগের ৮ হাজার টাকা থেকে তা বাড়িয়ে এই পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে আন্দোলনরত শ্রমিকরা এখন বলছেন তাদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করা হোক।
শ্রমিকদের বক্তব্য, খাদ্য, বাসাভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াত ও সন্তানদের শিক্ষার ব্যয় যেভাবে বেড়েছে, তাতে বর্তমান মজুরি দিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
বাংলাদেশ গার্মেন্ট অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এবং নতুন মজুরি বোর্ডের শ্রমিক প্রতিনিধি বাবুল আখতার রয়টার্সকে বলেছেন, বাংলাদেশের পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বিশ্বের অন্যতম নিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। তার মতে, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি দিতে হলে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছ থেকেও উৎপাদকদের ন্যায্য মূল্য আদায় করতে হবে।
বাংলাদেশ গার্মেন্ট অ্যান্ড সোয়েটার ওয়ার্কার্স ট্রেড ইউনিয়ন সেন্টারের আইনবিষয়ক সম্পাদক খায়রুল মামুন মিন্টুও ডেইলি স্টারকে জানিয়েছেন, শ্রমিকদের মূল দাবির মধ্যে ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি, কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ এবং চাকরিচ্যুত শ্রমিকদের পুনর্বহালের বিষয় রয়েছে।
৫২৯ কারখানার প্রায় ১০ লাখ শ্রমিক কর্মবিরতিতে
বিজিএমইএর ১ নভেম্বরের পরিস্থিতি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকা, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, সাভার ও আশুলিয়ার মোট ৫২৯টি পোশাক কারখানার কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।
অঞ্চলভিত্তিক চিত্র:
| শিল্পাঞ্চল | ব্যাহত কারখানা | কর্মস্থল ত্যাগকারী শ্রমিক |
|---|---|---|
| গাজীপুর ও ময়মনসিংহ | ২৭৬ | ৬,৪৫,৩৬০ |
| সাভার, আশুলিয়া ও জিরাবো | ১৮৫ | ২,৯০,২০৫ |
| ঢাকা মহানগর (মিরপুর) | ৬৮ | ৫১,৬২৫ |
| মোট | ৫২৯ | ৯,৮৭,১৯০ |
মিরপুর, গাজীপুর ও সাভারে সংঘর্ষ, আগুন ও সড়ক অবরোধ
রোববার সকাল থেকেই রাজধানীর মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকদের জমায়েত শুরু হয়। মিরপুর-১০, মিরপুর-১১ ও মিরপুর-১৪ এলাকায় শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করেন।
সকাল গড়িয়ে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে।
মিরপুর-১১ এলাকায় পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। পরিস্থিতির কারণে মিরপুর-১০, মিরপুর-১১ ও পল্লবী মেট্রোরেল স্টেশন প্রায় দুই ঘণ্টা বন্ধ রাখতে হয়।
গাজীপুরের কালিয়াকৈর, পল্লী বিদ্যুৎ, কোনাবাড়ী ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। কয়েকটি স্থানে আগুনের ঘটনা ঘটে। একটি কারখানার গুদাম এবং পুলিশের স্থাপনায় আগুন দেওয়ার খবর পাওয়া যায়। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কেও যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়।
এছাড়া সাভার ও আশুলিয়ায়ও শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হেমায়েতপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। একপর্যায়ে একটি পোশাক কারখানার নিরাপত্তাচৌকিতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি মোতায়েন করা হয়। গাজীপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিজিবির পাঁচ প্লাটুন সদস্য মোতায়েনের কথা জানিয়েছে ডেইলি স্টার।
নতুন মজুরি বোর্ড গঠন: ছয় সদস্যের কমিটি
শ্রমিকদের আন্দোলনের মধ্যে রোববারই নতুন ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেয় সরকার। শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, শ্রমিকদের বেতন পুনর্নির্ধারণের জন্য ছয় সদস্যের এই বোর্ড কাজ করবে।
বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে থাকছেন, শ্রমিক ও মালিকপক্রষের দুজন করে প্রতিনিধি, সরকারের একজন ও একজন নিরপেক্ষ সদস্য।
বোর্ডের কাজ হবে পোশাকশিল্পের বর্তমান মজুরি কাঠামো পর্যালোচনা করে নতুন ন্যূনতম মজুরির সুপারিশ করা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও শ্রমিকদের স্বার্থ এবং জীবনযাত্রার মান বিবেচনায় নিয়ে মজুরি নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের হুঁশিয়ারি
শ্রমিকদের আন্দোলনের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় পোশাকশিল্প মালিকদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিজিএমইএ ও বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিকেএমইএ) জানিয়েছে, শ্রমিকেরা কাজে যোগ না দিলে এবং অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে কারখানা চালু রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেছেন, শ্রমিকেরা কাজে না ফিরলে মালিকপক্ষ শ্রম আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারে।
বিশেষ করে বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১৩(১) ধারার কথা উল্লেখ করেছেন মালিকপক্ষ। এ ধারায় নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে মালিক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করতে পারেন। এর সঙ্গে ‘নো ওয়ার্ক, নো পে’ বা কাজ না থাকলে মজুরি না দেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।
বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমও বলেছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হতে পারেন মালিকেরা।
তবে শ্রমিকদের দাবি যৌক্তিক বলেই মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক সেলিম রায়হা।
রয়টার্সকে তিনি বলেছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও দীর্ঘদিন ধরে মজুরি চাপে থাকার কারণে তাদের দাবি যৌক্তিক । তবে একবারে বড় অঙ্কের মজুরি বৃদ্ধি উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে রপ্তানিকারকদের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা কমাতে পারে।
তার মতে, ধাপে ধাপে মজুরি সমন্বয়, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছ থেকে ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশ আসে এই খাত থেকে, যে শিল্পে যুক্ত রয়েছেন আনুমানিক ৪০ লাখ শ্রমিক। আর বাংলাদেমের জিডিপিতে তাদের অবদান প্রায় ১০ শতাংশ।
সরকারের পক্ষ থেকে অসন্তোষের পেছনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাবেক রাজনৈতিক নেতা ও শিল্পমালিকদের কথা বলা হলেও শ্রমিক সংগঠনগুলোর বক্তব্য, মজুরি বৃদ্ধি, চাকরিচ্যুত শ্রমিকদের পুনর্বহাল এবং কালো তালিকাভুক্তি বন্ধের দাবি দীর্ঘদিনের। সরকার সময়মতো মজুরি বোর্ড গঠন করলে পরিস্থিতি এতটা উত্তপ্ত নাও হতে পারত।
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে শ্রমিক সংগঠনের সাবেক নেতা তৌহিদুর রহমান বলেছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
তার মতে, দ্রুত বোর্ড গঠন করা হলে বর্তমান পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হতে পারত। একই সঙ্গে তিনি আন্দোলনে স্বার্থান্বেষী মহলের অনুপ্রবেশের আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন।




